ভূমিকা ইসলামিক ঐতিহ্য অনুসারে, জান্নাতের (বেহেশতের) নারীদের মধ্যে হযরত ফাতেমা (রা.)-এর অবস্থান অত্যন্ত উচ্চমানের। বেশিরভাগ হাদিসে তাঁকে জান্নাতের নারীদের “সর্বশ্রেষ্ঠ”
কুরআন ও হাদীসের সহজ ব্যাখা, আকীদার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আপনার প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর
আর বিস্তারিত তাফসীর—সব এক জায়গায়, সহজভাবে জানুন ইসলামকে।
ইসলামিক জ্ঞানকে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণভাবে শেখা, শেয়ার করা এবং প্রাণবন্তভাবে উপভোগ করার সহজ পথ এখনই আবিষ্কার করুন!
বিশেষজ্ঞ পণ্ডিতদের দ্বারা যাচাই করা নিবন্ধের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী জ্ঞান অর্জন করুন—যা প্রতিটি মুসলিমের দৈনন্দিন ও মৌসুমি বিষয়গুলোতে পথপ্রদর্শক হিসেবে সাজানো হয়েছে।
ভূমিকা ইসলামিক ঐতিহ্য অনুসারে, জান্নাতের (বেহেশতের) নারীদের মধ্যে হযরত ফাতেমা (রা.)-এর অবস্থান অত্যন্ত উচ্চমানের। বেশিরভাগ হাদিসে তাঁকে জান্নাতের নারীদের “সর্বশ্রেষ্ঠ”
বর্তমানে বাংলাদেশে আহলে বাইত সম্পর্কে অনেক মিথ্যা গল্প প্রচলিত আছে। আহতে বাইতের মর্যাদার ব্যাপারে অসংখ্য সহীহ হাদিস আছে। তাদের মর্যাদা
হযরত মুয়াবিয়া (রা.) এবং হযরত হাসান (রা.)-এর মধ্যে সন্ধি নিয়ে এই অভিযোগটি ইসলামী ইতিহাসে বহুল আলোচিত। সন্ধির একটি প্রধান শর্ত
ইসলামী ইতিহাসে কলঙ্কিত এই ঘটনাকে ‘সাব্বুল আলী’ (আলী রা.-কে গালি দেওয়া) নামে পরিচিত। উমাইয়া যুগে (বিশেষ করে মুয়াবিয়া (রা.)-এর শাসনামলে)
মুয়াবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (রা.) ইসলামী ইতিহাসের একটি বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। তিনি প্রথম উমাইয়া খলিফা (৬৬১-৬৮০ খ্রি.) এবং কারো কারো মতে

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাতের (১১ হিজরী, ৬৩২ খ্রি.) পরপরই ইসলামী ইতিহাসে একটি সংবেদনশীল ঘটনা ঘটে — যা ‘ফাদাকের ঘটনা’ নামে পরিচিত।