হযরত মুয়াবিয়া (রা.) এবং হযরত হাসান (রা.)-এর মধ্যে সন্ধি নিয়ে এই অভিযোগটি ইসলামী ইতিহাসে বহুল আলোচিত। সন্ধির একটি প্রধান শর্ত ছিল যে, মুয়াবিয়া (রা.) তাঁর মৃত্যুর পর খিলাফতের উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করবেন না; বরং বিষয়টি মুসলিম উম্মাহর শূরা (পরামর্শ) দিয়ে নির্ধারিত হবে। কিন্তু মুয়াবিয়া (রা.) তাঁর পুত্র ইয়াজিদ-কে উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেন, যা অনেকে শর্ত ভঙ্গ বলে মনে করেন।
সূচীপত্র
Toggleআহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের (সুন্নী) আলেমদের মূলধারার মতামত এ বিষয়ে সংক্ষেপে এরকম: অধিকাংশ আলেম এটাকে একটি ইজতিহাদী ভুল (ভুল সিদ্ধান্ত) বলে মানেন, যা ফিতনা (বিশৃঙ্খলা) এড়ানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এটি শরীয়াহর দৃষ্টিতে পুরোপুরি সঠিক ছিল না। তারপরও মুয়াবিয়া (রা.)-কে সাহাবী হিসেবে সম্মান করা ওয়াজিব, এবং এই ভুলের জন্য তাঁকে অভিশাপ বা গালি দেওয়া হারাম।
নিচে প্রধান আলেমদের মতামতগুলো টেবিলে সারাংশ করা হলো (সূত্রসমূহ থেকে সংগৃহীত):
সন্ধির প্রধান শর্ত ও লঙ্ঘনের স্বরূপ
হযরত হাসান (রা.) ও মুয়াবিয়া (রা.)-এর মধ্যে ৪১ হিজরিতে যে সন্ধি হয় (যা ‘আমুল জামায়াত’ বা ঐক্যের বছর নামে পরিচিত), তার অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল:
“মুয়াবিয়া (রা.)-এর পর খিলাফতের জিম্মাদারি হাসানের হাতে আসবে। যদি হাসান জীবিত না থাকেন, তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য হবে না, বরং তা শূরার (পরামর্শ সভার) মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।” (সূত্র: আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৮ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৯; ফাতহুল বারী, ১৩তম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৬৫; ইবনে হাজার আল-হায়তামী (রহ.))
যখন মুয়াবিয়া (রা.) তাঁর মৃত্যুর আগে ইয়াজিদকে উত্তরাধিকারী হিসেবে মনোনীত করেন, তখন এই শর্তটি দৃশ্যত লঙ্ঘিত হয়। কারণ, এটি ‘শূরা’র পরিবর্তে ‘বংশানুক্রমিক’ পদ্ধতিতে পর্যবসিত হয়েছিল।
সুন্নী আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি: কেন এবং কীভাবে?
সুন্নী আলেমগণ এই ঘটনাকে বিচার করার সময় তিনটি মূল বিষয়কে সামনে রাখেন:
ক. ইজতিহাদি ভুল
ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ (রহ.) এবং হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.)-এর মতে, মুয়াবিয়া (রা.) মনে করেছিলেন যে তাঁর মৃত্যুর পর যদি কোনো শক্তিশালী নেতা নির্দিষ্ট না থাকে, তবে উম্মাহ আবার সিফফিনের মতো ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে।
- যুক্তি: তিনি ইয়াজিদের যোগ্যতার চেয়েও ‘উম্মাহর ঐক্য’ এবং ‘সিরীয় বাহিনীর আনুগত্য’-কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল শান্তি রক্ষা করা, যদিও পদ্ধতিটি চুক্তির খেলাফ ছিল।
এই বিষয়ে ইতিহাসবিদ এবং সুন্নী আলেমদের বরাতে নানারুপ উল্লেখ্য দেখা যায় –
- ইবনে খালদুনের মুকাদ্দিমায় অনুরুপ উল্লেখ আছে যে, মুয়াবিয়া (রা.) উম্মাহর বিভক্তির ভয়ে ইয়াজিদকে নিয়োগ করেন, যাতে এক নেতার পিছনে ঐক্য থাকে।
- আল-খতীব এবং অন্যান্য আলেমরা বলেন যে, শূরা দিলে ফিতনা হওয়ার ভয় ছিল, তাই এটি আদর্শিকভাবে ভালো না হলেও পরিস্থিতিগতভাবে নেওয়া হয়েছে।
- আল-সুয়ুতী (তারিক আল খুলাফায়) এবং ইবনে আবি আল-হাদীদ (শিয়া-প্রভাবিত) মুয়াবিয়া (রা)- এর ইয়াজিদ নিয়োগকে সমালোচনা করেন, কারণ এটি সন্ধি লঙ্ঘন করে দুর্নীতির সূচনা করে। সুন্নী সোর্সে আল-সুয়ুতী ইয়াজিদের কিছু কর্মের সমালোচনা করেন, যদিও মুয়াবিয়া (রা) কে সম্মান করেন।
- ইবনে কাসীর (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া) লঙ্ঘন স্বীকার করেন কিন্তু মুয়াবিয়ার উদ্দেশ্যকে (ঐক্য রক্ষা) গ্রহণযোগ্য বলেন। আবু হানিফা (রহ.)-এর ফতোয়া বা মতামতে সাহাবীদের সম্মানের উপর জোর দেওয়া হয়। তাবারীতে সন্ধির শর্ত ও লঙ্ঘনের বিস্তারিত বর্ণনা আছে।
খ. রাজতন্ত্র বনাম খিলাফত
শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) তাঁর ‘ইযালাতুল খাফা’ কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, মুয়াবিয়া (রা.)-এর এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই ‘খিলাফতে রাশেদা‘র সমাপ্তি ঘটে এবং ‘মালিকিয়াত‘ বা রাজতন্ত্রের সূচনা হয়। সুন্নী আলেমরা একমত যে, এটি একটি আদর্শিক বিচ্যুতি ছিল, কিন্তু এটি তাঁকে ইসলাম থেকে বের করে দেয় না।
গ. বড় সাহাবীদের অবস্থান
মাজমুউল ফাতাওয়া এবং ইবনে কাসীরের বর্ণনা অনুযায়ী, অনেক বড় বড় সাহাবী (যেমন ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস) ইয়াজিদের বায়াত গ্রহণ করেছিলেন শুধুমাত্র নতুন করে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার ভয়ে। তাঁরা চুক্তির লঙ্ঘনটি বুঝতে পেরেও উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে চুপ ছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ কিতাব ও রেফারেন্সের বিশ্লেষণ
| কিতাবের নাম | লেখকের মন্তব্য/অবস্থান |
| আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইবনে কাসীর) | তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ইয়াজিদের নিয়োগ ছিল চুক্তির পরিপন্থী, তবে মুয়াবিয়া (রা.) এটি উম্মাহর স্থিতিশীলতার জন্য করেছিলেন। |
| আওয়াসিম মিনাল কাওয়াসিম (ইমাম ইবনুল আরাবী) | তিনি মুয়াবিয়া (রা.)-এর পক্ষ নিয়ে বলেছেন, এটি তাঁর ইজতিহাদ ছিল। তিনি ইয়াজিদকে তৎকালীন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কার্যকর মনে করেছিলেন। |
| আল-আক্বীদাহ আত-তহাবীয়া | এখানে সাহাবীদের সমালোচনার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, তাঁদের ভুল নিয়ে চর্চা করার চেয়ে তাঁদের ইস্তিগফার করা উত্তম। |
ইয়াজিদকে মনোনয়নের আগে পরামর্শ: সত্যতা ও রেফারেন্স
হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ইয়াজিদকে মনোনীত করার আগে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পরামর্শমূলক প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছিলেন। তিনি হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।
পরামর্শের ধরন: তিনি সিরিয়ার নেতৃবৃন্দ, কুফার গভর্নর মুগীরা ইবনে শু’বা (রা.) এবং বসরার গভর্নর যিয়াদ ইবনে আবীহির সাথে পরামর্শ করেন। এরপর তিনি মক্কায় গিয়ে বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.), আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) প্রমুখের সাথে কথা বলেন।
রেফারেন্স: *
- আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইবনে কাসীর): ৮ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৭৯-৮১। এখানে উল্লেখ আছে যে, তিনি উম্মাহর ঐক্য রক্ষার জন্য বিশিষ্টজনদের সাথে আলোচনা করেছিলেন।
- তারিখে তাবারী: ৫ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০১। মুগীরা ইবনে শু’বা (রা.)-এর পরামর্শের কথা এখানে বিস্তারিত এসেছে।
বিবেচ্য বিষয়: তিনি পরামর্শ করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু সেই পরামর্শে মদীনার প্রধান চারজন সাহাবী (হুসাইন রা., ইবনে যুবায়ের রা., ইবনে উমর রা., ও ইবনে আব্বাস রা.) একমত হননি। তারা এটিকে ‘সিজারোইন’ বা রোমান রাজতন্ত্রের সাদৃশ্য বলে সমালোচনা করেছিলেন।
সুন্নী মতাদর্শ অনুযায়ী চুক্তিভঙ্গকারী কি মুনাফিক?
নবীজী (সা.) বলেছেন,
“মুনাফিকের লক্ষণ তিনটি: কথা বললে মিথ্যা বলে, প্রতিশ্রুতি দিলে ভঙ্গ করে, আমানত দিলে খেয়ানত করে।” (সহীহ বুখারী (হাদীস ৬০৯৫)
কিন্তু আলেমরা একমত যে, এটি ‘নিফাকে আমলী’ (কাজে মুনাফেকি), ‘নিফাকে ইতিক্বাদী’ (বিশ্বাসে মুনাফেকি) নয়।
সুন্নী মতে (হাদীস ও ফিকহের ভিত্তিতে) চুক্তি বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা মুনাফিকের লক্ষণ, কিন্তু এটি সর্বদা কুফর বা নিফাক ইতিকাদী করে না। এটি দুই ধরনের হতে পারে:
- নিফাক আমলী: চুক্তি ভঙ্গ করা গুনাহ, কিন্তু যদি ইচ্ছাকৃত না হয় বা তওবা করা যায়, তাহলে কুফর নয়। এটি অসৎ ব্যক্তির লক্ষণ।
- নিফাক ইতিকাদী: যদি চুক্তি ভঙ্গ ইসলামের মূল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে হয় এবং হৃদয়ে কুফর থাকে, তাহলে কুফর। কিন্তু সাধারণ চুক্তি ভঙ্গ এতে পড়ে না।
পার্থক্য: বিশ্বাসে মুনাফিক সে, যে অন্তরে কুফর লুকিয়ে মুখে ইসলাম স্বীকার করে (যারা চিরস্থায়ী জাহান্নামী)। আর কাজে মুনাফেকি বা ওয়াদা ভঙ্গ করা একটি বড় গুনাহ, কিন্তু এর কারণে কেউ ইসলাম থেকে বের হয়ে যায় না বা কাফের হয় না।
সুন্নী আলেমরা (যেমন ইবনে তাইমিয়া, নববী) বলেন: চুক্তি ভঙ্গ সর্বদা মুনাফিক করে না; এটি নির্ভর করে উদ্দেশ্য ও পরিস্থিতির উপর। যদি রাজনৈতিক বাস্তবতায় করা হয় এবং উম্মাহর মঙ্গলের জন্য, তাহলে ইজতিহাদী ভুল।
সন্ধিভঙ্গের কারণে কি মুয়াবিয়া (রা.) মুনাফিক বা কাফের হয়ে যান নি?
সুন্নী আকিদা অনুযায়ী মুয়াবিয়া (রা.) একজন সম্মানিত সাহাবী এবং মুমিন। তাঁকে মুনাফিক বলা যাবে না কারণ:
- সাহাবিয়াতের মর্যাদা: কুরআন ও সুন্নাহর অসংখ্য দলিলে সাহাবীদের ঈমানের সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। মুয়াবিয়া (রা.) ওহী লেখক ছিলেন। নবীজী (সা.) জেনে-বুঝে কোনো মুনাফিককে ওহী লেখার পবিত্র দায়িত্ব দিতেন না।
- ইজতিহাদি ব্যাখ্যা: সুন্নী আলেমদের মতে, মুয়াবিয়া (রা.) হাসান (রা.)-এর সাথে করা চুক্তিটি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবজ্ঞার কারণে ভঙ্গ করেননি। বরং তিনি মনে করেছিলেন, “চুক্তি রক্ষা করার চেয়ে উম্মাহকে গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচানো বেশি জরুরি।” অর্থাৎ তিনি একটি ওয়াদা রক্ষার চেয়ে ‘বৃহত্তর জনস্বার্থ’-কে প্রাধান্য দিয়েছেন। এটি তাঁর ভুল হতে পারে, কিন্তু এটি গাদ্দারি বা নিফাক নয়।
- আলী ও হাসান (রা.)-এর অবস্থান: হাসান (রা.) নিজে মুয়াবিয়া (রা.)-এর হাতে বায়াত হয়েছিলেন। যদি তিনি মুনাফিক হতেন, তবে রাসূল (সা.)-এর নাতি কোনোদিন তাঁর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিতেন না।
সারকথা আহলে সুন্নাহর অবস্থান
- শর্ত ভঙ্গ স্বীকার: অধিকাংশ সুন্নী আলেম মানেন যে, ইয়াজিদের নিয়োগ সন্ধির শর্তের (যেমন শূরা দিয়ে খলিফা নির্বাচন) বিরুদ্ধে ছিল। এটি রাজতন্ত্রের দিকে নিয়ে যায়, যা ইসলামী আদর্শের সাথে পুরোপুরি মিলে না।
- যুক্তি: মুয়াবিয়া (রা.) এটি ফিতনা এড়ানোর জন্য করেছেন, কারণ তাঁর মৃত্যুর পর বিভেদ বাড়তে পারত। তিনি সাহাবীদের (যেমন ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস) সাথে পরামর্শ করেছেন এবং অনেকে ইয়াজিদকে বায়াত দিয়েছেন। এটি উম্মাহর মঙ্গলের জন্য ছিল, যদিও “শরীয়াহর দৃষ্টিতে সঠিক যুক্তি নয়”।
- সম্মান বজায়: যদিও ভুল স্বীকার করা হয়, মুয়াবিয়া (রা.)-কে অভিশাপ দেওয়া বা সমালোচনা করা নিষিদ্ধ। এটি তাঁর ইজতিহাদ (সিদ্ধান্ত) ছিল, যা সওয়াবপ্রাপ্ত হতে পারে কারণ উদ্দেশ্য ছিল উম্মাহর ঐক্য রক্ষা।
- মতভেদ: কিছু সুন্নী সূত্র (যেমন মাহাজ্জাহ) বলে যে, সন্ধির শর্তগুলো মুয়াবিয়া মেনে চলেছেন এবং হাসান-হুসাইনের সাথে সম্পর্ক ভালো ছিল, কিন্তু ইয়াজিদের নিয়োগ নিয়ে সরাসরি সমালোচনা এড়িয়ে যান।
এই মতামতগুলো ইসলামী ঐতিহাসিক সূত্র (তাবারী, ইবনে আসীর) থেকে নেওয়া। ফিতনার যুগের বিষয়ে চুপ থাকা উত্তম, যেমন ইমাম মালেক (রহ.) বলেছেন। আল্লাহ সকল সাহাবীকে ক্ষমা করুন। আমীন।
আমাদের অবস্থান কী হওয়া উচিত?
আহলে সুন্নাহর অবস্থানকে তিনটি পয়েন্টে সারসংক্ষেপ করা যায়:
১. স্বীকৃতি: ইয়াজিদের নিয়োগ হাসান (রা.)-এর সাথে করা চুক্তির শর্তের বিচ্যুতি ছিল। এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য।
২. উদ্দেশ্য: মুয়াবিয়া (রা.)-এর নিয়ত ছিল উম্মাহর রক্তপাত বন্ধ করা। তিনি ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেয়ে বিশৃঙ্খলা বন্ধকে বড় মনে করেছিলেন।
৩. সম্মান: সাহাবী হিসেবে তাঁর মর্যাদা অটুট। আমরা তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে পারি কিন্তু তাঁকে অভিশাপ দেওয়া বা গালি দেওয়া আমাদের আকিদার পরিপন্থী।
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.)-এর একটি বিখ্যাত উক্তি এখানে প্রণিধানযোগ্য:
“রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবীদের মধ্যে যা ঘটেছে সে সম্পর্কে কথা বলো না। তাঁদের হিসাব আল্লাহর কাছে। তুমি নিজের আমল নিয়ে ব্যস্ত থাকো।”
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক পথে থাকার তৌফিক দান করুক। আমীন।